চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন বলেন , ‘পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীদের নিজ স্থায়ী ঠিকানা যেখানে আছে; সেই অঞ্চলে তাদের পুনর্বাসন করা হবে। তবে প্রসেসটা (নিয়ম) কিছুটা সহজ করে দিব। এর মধ্যে এক মাসের সময় দিয়ে তাদের গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে, মাইকিং করা হবে এবং লিফলেট বিতরণ করা হবে। এছাড়া তাদের নিজ স্থানের কথা উল্লেখ করে সীতাকুণ্ড নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে তারা আবেদনগুলো পাঠাবেন। তারা যে উপজেলার বাসিন্দা, সেই উপজেলায় তাদের আবেদনগুলো পাঠানো হবে। এরপর সেই উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) উপজেলায় যে কমিটি আছে; তারা পর্যালোচনা করবেন। যদি মনে করেন তারা প্রকৃতিভাবে ভূমিহীন, কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকে এবং সেখানকার বাসিন্দা হন; তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলাতে সেই ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে পাহাড়ে যাতে নতুন করে আর কোনো পাহাড় কাটা না হয়; সে বিষয়ে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।’
শুধু জঙ্গল সলিমপুর নয়; পুরো চট্টগ্রাম জেলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাহাড়ীয় অঞ্চলে যারা অবৈধ বসবাস করছে; তাদের উচ্ছেদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এছাড়া পাহাড়গুলোর মালিকানায় যে সংস্থা রয়েছে; তারা নিজ উদ্যোগে তাদের তালিকা তৈরি করবে। একইসঙ্গে পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীদের আইনানুগভাবে উচ্ছেদ চালানো হবে।’
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সীতাকুণ্ডের সলিমপুরে যে এলাকাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে তা যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে সেজন্য নিরাপত্তা জোরদার করা ও খালি স্থানগুলোতে র্যাব-পুলিশ-আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়মিত টহল দেওয়া হবে। খুব শিগগিরই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। নতুন করে যাতে কেউ পাহাড় না কাটে সেজন্য নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সলিমপুরে পাহাড় ব্যবস্থাপনার জন্য, কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকার জন্য স্থাপন করা হবে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যালয়।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সকালে সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৫ তম সভায় বিভাগীয় কমিশনার এ কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্চের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ বন সংরক্ষক আবুল কালাম, বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মাহাবুবউল আলম প্রমুখ।
ভিডিও








