নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সিলিং ফ্যান বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টুটুল মিয়ার মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এ নিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একই পরিবারের পাঁচজনের চারজনই মারা গেলেন। অপর দগ্ধ চিকিৎসাধীন শিশু মেহজাবিনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ফতুল্লার কাশিমপুর ঝিল মার্কেট এলাকার সালাম মণ্ডলের বাসার সিলিং ফ্যান বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সালামসহ তার স্ত্রী বুলবুলি বেগম, দুই সন্তান সোনিয়া ও টুটুল এবং সোনিয়ার সাত বছরের মেয়ে মেহজাবিন দগ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ টুটুল মিয়া মারা গেলেন।
এর আগে ১২ জুন সালাম মণ্ডল, ১৩ জুন স্ত্রী বুলবুলি, ১৪ জুন মেয়ে সোনিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে বর্তমানে শিশু মেহজাবিনের চিকিৎসা চলছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
সালাম মণ্ডলের বাড়ি নাটোর জেলায়। পরিবার নিয়ে ফতুল্লার কাশিমপুর ঝিল মার্কেট এলাকার ওই বাসার একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।








