শনিবার(২২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সকাল সাড়ে ৯টায় বিআরটিএ ’র ‘নিরাপদ সড়ক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব দাবী জানান তিনি।
চট্টগ্রাম হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উপরে একটি দেশ উন্নত হয়। আমোদের দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত হচ্ছে। তবে শুধু উন্নত হলে হবে না। সড়কে একজন ড্রাইবার, সাধারণ পথচারী সকলকে একযোগে আইন মানতে হবে। ড্রাইবারদের একটানা দশ এগারো ঘন্টা গাড়ি চালাতে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্য চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোসাম্মদ সুমনী আক্তার বলেন, আমরা সবাই সড়কের উপর নির্ভরশীল। কারণ অফিসার থেকে নিম্নবিত্ত সকলে সড়কের জীবিকার টানে বের হন। ঘরে ফেরার জন্য নিরাপদ সড়ক গড়া দরকার আগে। তারজন্য পরিবহন শ্রমিক, জনসাধারণ সকলকে সচেতন হতে হবে। শুধুমাত্র পরিবহন চালকদের দোষারোপ করলে হবেনা। পথচারীদের ভুমিকা আছে নিরাপদ সড়ক করতে।
পরিবহন নেতাদের উদ্দেশ্য তিনি বলেরন ড্রা্ইবারদের টানা দশ বারো ঘন্টা গাড়ি চালানোর ব্যাপারটা গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। একটা ৬ ঘন্টা গাড়ি চালিয়ে ড্রা্ইবার পরিবর্তন করারও পরামর্শ্ দেন তিনি।
তিনি যোগ করে বলেন, পথচারীদের জন্য নগরের বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে ফুটপাতের অবৈধ্য স্থাপনা উচ্ছেদ করি। কিন্ত তারপর দিন আবার স্থাপনা বসিয়ে দেন। তারজন্য স্থানীয় প্রতিনিধিদেরে এগিয়ে আসতে হবে।
সভায় সঞ্চালনা করেন বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগের সহকারী পরিচালক রায়হানা আক্তার উর্থি। সভায় প্রদীপ কুমার, পিন্টু চাকমা, পরিবহন নেতা ও শ্রমিকসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।








